আরবি (র) হরফ পড়ার নিয়ম কি?

*(রা) অক্ষর পড়বার নিয়ম ২টি - (১) পোর (মোটা) ও (২) বারিক (চিকন)।*
*(রা), ৭ অবস্থায় পোর হয়*
(১) ر (রা), এর উপর যবর হলে পোর করে পড়তে হয়। যথা:- – رَفع
(২) ر (রা), এর উপর পেশ হলে পোর করে পড়তে হয়। যথা:- رُقود
(৩) ر (রা), সাকিন তার আগের হরফে যবর হলে পোর করে পড়তে হয়। যথা:- مَرْيم
(৪)ر (রা), সাকিন তার আগের হরফে পেশ হলে পোর করে পড়তে হয়। যথা:- اُرْكسو
(৫) ر (রা), সাকিন তার আগের হরফে অস্থায়ী (আরেযী যের বা আরেযী কাসরা) যের হলে পোর করে পড়তে হয়। যথা:-
من ارْتضي – اِنِ ارْتبتم
(৬) ر (রা), সাকিন তার আগের হরফে যের হলে এবং পরে ইস্তেআলার ৭টি হরফের কোন একটি হরফ একই শব্দে আসলে পোর করে পড়তে হয়। যথা:- قِرْطاس – مِرْصاد
ইস্তেআলার হরফ ৭টি এই:- خص ضغط قظ
(৭) ر (রা), ওয়াক্বফ অবস্থায় সাকিন তার আগের অক্ষরে যবর বা পেশ হলে পোর করে পড়তে হয় এবং রা, ওয়াক্বফ অবস্থায় সাকিন ও তার আগের অক্ষরও সাকিন, এর আগের অক্ষরে যবর বা পেশ হলে পোর করে পড়তে হয়। যথা:-
★انهَرُ★نُفُرُ★ قَدْرِ★صُدُوْرِ
*(রা), ৫ অবস্থায় বারিক হয়*
(১) ر (রা), এর নীচে যের হলে বারিক করে পড়তে হয়। যথা:- رِجال
(২) ر (রা), সাকিন তার আগের হরফে যের হলে বারিক করে পড়তে হয়। যথা:-مِرْية
(৩) ر (রা), ওয়াক্বফ অবস্থায় সাকিন এবং তার আগের অক্ষরে যের হলে বারিক করে পড়তে হয়। যথা:- مدكر
(৪) ر (রা), ওয়াক্বফ অবস্থায় সাকিন, এর আগের অক্ষর সাকিন এবং তার আগের অক্ষরে যের হলে রা, বারিক করে পড়তে হয়। যথা:- ذِي الذِّكْرِ
(৫) ر (রা), ওয়াক্বফ অবস্থায় সাকিন তার আগের অক্ষর ইয়া সাকিন হলে বারিক করে পড়তে হয়। যথা:-
خبيْرً – سيْرُ
সংগ্রহ ও সংকলন – উস্তাদ নুরুল ইসলাম হাফিজাহুল্লাহ